And he said, “Jesus, remember me when you come into your kingdom.” - Luke 23:42

পাক রূহুর প্রত্যয় কীভাবে হজরত ঈসার প্রতি বিশ্বের প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে আমাদের উপলব্ধিকে প্রভাবিত করে?” II How does the conviction of the Holy Spirit impact us?

Share Article

 “ইউহোন্না ১৬:৮-১১ এ পাক রূহুর প্রত্যয় কীভাবে হজরত ঈসার প্রতি বিশ্বের প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে আমাদের উপলব্ধিকে প্রভাবিত করে?”

  • ইউহোন্না ১৬:৮-১১ তিনি এসে গুনাহ্‌ সম্বন্ধে, আল্লাহ্‌র ইচ্ছামত চলা সম্বন্ধে এবং আল্লাহ্‌র বিচার সম্বন্ধে লোকদের চেতনা দেবেন। তিনি গুনাহ্‌ সম্বন্ধে চেতনা দেবেন, কারণ লোকেরা আমার উপর ঈমান আনে না; আল্লাহ্‌র ইচ্ছামত চলা সম্বন্ধে চেতনা দেবেন, কারণ আমি পিতার কাছে যাচ্ছি ও তোমরা আমাকে আর দেখতে পাবে না; বিচার সম্বন্ধে চেতনা দেবেন, কারণ দুনিয়ার কর্তার বিচার হয়ে গেছে।

উত্তর: পাক রূহ সৃষ্টি, বিবেক এবং কিতাবের বাণী [নিজের সম্পর্কে আল্লাহর লিখিত ও কথ্য শব্দ] মাধ্যমে আল্লাহ এবং হজরত ঈসা মসীহ সম্পর্কে সত্যের জগতে জন্মগ্রহণকারী প্রত্যেক ব্যক্তিকে দোষী সাব্যস্ত করেন।

কিতাব সত্যই সমস্ত মানবতাকে দোষী ঘোষণা করে। “পয়গম্বরকে মেরে ফেলা” যে কোনো স্বাভাবিক মানুষ ও তাদের প্রতিক্রিয়া যার গুনাহ এবং আল্লাহর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ স্পষ্টভাবে আলোর মধ্যে আনা হয়। এটাই ছিল আল্লাহর নিখুঁত পুত্রের বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়া যিনি মানবজাতির অন্যায়কে প্রকাশ করেছিলেন।

  • ইউহোন্না ৩:১৮-২০ যে সেই পুত্রের উপর ঈমান আনে তার কোন বিচার হয় না, কিন্তু যে ঈমান আনে না তাকে দোষী বলে আগেই স্থির করা হয়ে গেছে, কারণ সে আল্লাহ্‌র একমাত্র পুত্রের উপর ঈমান আনে নি। যে সেই পুত্রের উপর ঈমান আনে তার কোন বিচার হয় না, কিন্তু যে ঈমান আনে না তাকে দোষী বলে আগেই স্থির করা হয়ে গেছে, কারণ সে আল্লাহ্‌র একমাত্র পুত্রের উপর ঈমান আনে নি। তাকে দোষী বলে স্থির করা হয়েছে কারণ দুনিয়াতে নূর এসেছে, কিন্তু মানুষের কাজ খারাপ বলে মানুষ নূরের চেয়ে অন্ধকারকে বেশী ভালবেসেছে। যে কেউ অন্যায় কাজ করতে থাকে সে নূর ঘৃণা করে। তার অন্যায় কাজগুলো প্রকাশ হয়ে পড়বে বলে সে নূরের কাছে আসে না।
  • মথি ২১:৪৫-৪৬ প্রধান ইমামেরা এবং ফরীশীরা ঈসার শিক্ষা-ভরা গল্পগুলো শুনে বুঝতে পারলেন তিনি তাঁদের কথাই বলছেন। তখন তাঁরা তাঁকে ধরতে চাইলেন, কিন্তু লোকদের ভয়ে তা করলেন না, কারণ লোকে ঈসাকে নবী বলে মনে করত।
  • ইউহোন্না ১১:৪৭-৪৮, ৫৩ তখন প্রধান ইমামেরা ও ফরীশীরা মহাসভার লোকদের একত্র করে বললেন, “আমরা এখন কি করি? এই লোকটা তো অনেক অলৌকিক চিহ্ন-কাজ করছে। আমরা যদি তাকে এইভাবে চলতে দিই তবে সবাই তার উপর ঈমান আনবে, আর রোমীয়রা এসে আমাদের এবাদত-খানা এবং আমাদের জাতিকে ধ্বংস করে ফেলবে।” সেই দিন থেকে ইহুদী নেতারা ঈসাকে হত্যা করবার ষড়যন্ত্র করতে লাগলেন।
  • রোমীয় ১:১৮-৩২ মানুষ আল্লাহ্‌র সত্যকে অন্যায় দিয়ে চেপে রাখে, আর তাই তাঁর প্রতি ভয়ের অভাব ও সমস্ত অন্যায় কাজের জন্য বেহেশত থেকে মানুষের উপর আল্লাহ্‌র গজব প্রকাশ পেয়ে থাকে। আল্লাহ্‌ সম্বন্ধে যা জানা যেতে পারে তা মানুষের কাছে স্পষ্ট, কারণ আল্লাহ্‌ নিজেই তাদের কাছে তা প্রকাশ করেছেন। আল্লাহ্‌র যে সব গুণ চোখে দেখতে পাওয়া যায় না, অর্থাৎ তাঁর চিরস্থায়ী ক্ষমতা ও তাঁর খোদায়ী স্বভাব সৃষ্টির শুরু থেকেই পরিষ্কার হয়ে ফুটে উঠেছে। তাঁর সৃষ্টি থেকেই মানুষ তা খুব বুঝতে পারে। এর পরে মানুষের আর কোন অজুহাত নেমানুষ তাঁর সম্বন্ধে জানবার পরেও আল্লাহ্‌ হিসাবে তাঁর প্রশংসাও করে নি, তাঁকে কৃতজ্ঞতাও জানায় নি। তাদের চিন্তাশক্তি অসার হয়ে গেছে এবং তাদের বুদ্ধিহীন দিল অন্ধকারে পূর্ণ হয়েছে। যদিও তারা নিজেদের জ্ঞানী বলে দাবি করেছে তবুও আসলে তারা মুর্খই হয়েছে। চিরস্থায়ী, মহিমাপূর্ণ আল্লাহ্‌র এবাদত ছেড়ে দিয়ে তারা অস্থায়ী মানুষ, পাখী, পশু ও বুকে-হাঁটা প্রাণীর মূর্তির পূজা করেছে। এইজন্য আল্লাহ্‌ মানুষকে তার দিলের কামনা-বাসনা অনুসারে জঘন্য কাজ করতে ছেড়ে দিয়েছেন। 

ফলে তারা একে অন্যের সংগে জঘন্য কাজ করে নিজেদের শরীরের অসম্মান করেছে। আল্লাহ্‌র সত্যকে ফেলে তারা মিথ্যাকে গ্রহণ করেছে। সৃষ্টিকর্তাকে বাদ দিয়ে তারা তাঁর সৃষ্ট জিনিসের পূজা করেছে, কিন্তু সমস্ত প্রশংসা চিরকাল সেই সৃষ্টিকর্তারই। আমিন। 

মানুষ এই সব করেছে বলে আল্লাহ্‌ লজ্জাপূর্ণ কামনার হাতে তাদের ছেড়ে দিয়েছেন। স্ত্রীলোকেরা পর্যন্ত পুরুষদের সংগে তাদের স্বাভাবিক ব্যবহারের বদলে অন্য স্ত্রীলোকদের সংগে অস্বাভাবিক ভাবে খারাপ কাজ করেছে। পুরুষেরাও ঠিক তেমনি করে স্ত্রীলোকদের সংগে তাদের স্বাভাবিক ব্যবহার ছেড়ে দিয়ে পুরুষদের সংগে কামনায় জ্বলে উঠেছে; পুরুষ পুরুষের সংগে লজ্জাপূর্ণ খারাপ কাজ করেছে। ফলে তারা প্রত্যেকেই তার অন্যায় কাজের পাওনা শাস্তি নিজের মধ্যেই পেয়েছে। 

এইভাবে মানুষ আল্লাহ্‌কে মানতে চায় নি বলে আল্লাহ্‌ও গুনাহ্‌পূর্ণ মনের হাতে তাদের ছেড়ে দিয়েছেন, আর সেইজন্যই মানুষ অনুচিত কাজ করতে থাকে। সব রকম অন্যায়, খারাপী, লোভ, নীচতা, হিংসা, খুন, মারামারি, ছলনা ও অন্যের ক্ষতি করবার ইচ্ছায় তারা পরিপূর্ণ। তারা অন্যের বিষয় নিয়ে আলোচনা করে, অন্যের নিন্দা করে এবং আল্লাহ্‌কে ঘৃণা করে। তারা বদমেজাজী, অহংকারী ও গর্বিত। অন্যায় কাজ করবার জন্য তারা নতুন নতুন উপায় বের করে। তারা মা-বাবার অবাধ্য, ভাল-মন্দের জ্ঞান তাদের নেই, আর তারা বেঈমান। পরিবারের প্রতি তাদের ভালবাসা নেই এবং তাদের দিলে দয়ামায়া নেই। আল্লাহ্‌র এই বিচারের কথা তারা ভাল করেই জানে যে, এই রকম কাজ যারা করে তারা মৃত্যুর শাস্তির উপযুক্ত। এই কথা জেনেও তারা যে কেবল এই সব কাজ করতে থাকে তা নয়, কিন্তু অন্য যারা তা করে তাদের সায়ও দেয়।

  • রোমীয় ২:১৫-১৬ এতে দেখা যায় যে, শরীয়ত মতে যা করা উচিত তা তাদের দিলেই লেখা আছে। তাদের বিবেকও সেই একই সাক্ষ্য দেয়। তাদের চিন্তা কোন কোন সময় তাদের দোষী করে, আবার কোন কোন সময় তাদের পক্ষেও থাকে। আল্লাহ্‌ যেদিন ঈসা মসীহের মধ্য দিয়ে মানুষের গোপন সব কিছুর বিচার করবেন সেই দিনই তা প্রকাশ পাবে। আমি যে সুসংবাদ তবলিগ করি সেই অনুসারেই এই বিচার হবে।
  • ইউহোন্না ৬:৬৭-৬৯ এইজন্য ঈসা সেই বারোজন সাহাবীকে বললেন, “তোমরাও কি চলে যেতে চাও?” শিমোন পিতর ঈসাকে বললেন, “হুজুর, আমরা কার কাছে যাব? অনন্ত জীবনের বাণী তো আপনারই কাছে আছে। আমরা ঈমান এনেছি আর জানতেও পেরেছি যে, আপনিই আল্লাহ্‌র সেই পবিত্রজন।”

__________________

আমরা সম্পূর্ণরূপে নিশ্চিত যে নাজাতের জন্য ঈমান সম্পূর্ণরূপে নির্ভর করে হজরত ঈসা মসীহের সম্বন্ধে; 

যা সত্য বলে ঈমান আনেন তাঁর উপর। হজরত ঈসা সম্পর্কে কেউ কি ঈমান আনেন? এবং হজরত ঈসা সম্পর্কে অসত্য কিছু বর্জন করা একক সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ চিন্তাভাবনা যা আজীবন থাকবে!

কেন? 

একজনের অনন্তকাল, হয় বেহেস্তে বা দোজখে, নির্ভর করে হজরত ঈসার বিষয়ে কোনটি সত্য বলে ঈমান আনেন তার উপর।

এর সবকিছু হজরত ঈসা সম্পর্কে! আপনার বন্ধুরা – WIFM ক্যাম্পাস।

আপনাদের প্রত্যেকের প্রতি আমাদের সমস্ত ভালবাসা,

মসীহতে –

জন + ফিলিস

You might also like

Was It For Me_It Is Matter Of What We Love Essay Image
Essay

It is a matter of what we love

Why is our culture overwhelmed by: Malformed Relationships, Materialism / Debt / Violence, Addiction to Media / Entertainment? Actually, the answer is…

Was It For Me_Heaven It Is Impossible for God to Lie Essay Image
Essay

Heaven, it is impossible for God to lie

So that by two unchangeable things, in which it is impossible for God to lie, we who have fled for refuge might have strong encouragement to hold fast to…

Would you pray for me?

Complete the form below to submit your prayer request.

* indicates required

Join our email list

To sign up for daily meditations, please complete the form below.

Would you like to ask us a question?

Complete the form below to submit your question.

* indicates required